Loading page...

Yogurt Milk Whitening Underarm Cream আন্ডারআর্ম বা বগলের নিচের কালচে ভাব, ঘর্ষণের দাগ এবং অসম স্কিন টোন দূর করার জন্য একটি বিশেষ যত্নশীল প্রোডাক্ট। এতে থাকা ইয়োগার্ট বা দইয়ের ল্যাকটিক অ্যাসিড প্রাকৃতিকভাবে ত্বককে এক্সফোলিয়েট করে মরা চামড়া তুলে ফেলে, এবং মিল্ক প্রোোটিন ত্বকের গভীরে পুষ্টি জুগিয়ে ত্বককে কোমল ও ফর্সা করে তোলে। ঘন ঘন শেভিং বা ডিওডোরেন্ট ব্যবহারের কারণে আন্ডারআর্মের চামড়া যে রুক্ষ ও কালো হয়ে যায়, এটি সেই ড্যামেজ দ্রুত নিরাময় করতে অত্যন্ত কার্যকরী। এর লাইট-ওয়েট এবং নন-গ্রিজি টেক্সচার ত্বকে খুব সহজে মিশে যায় এবং সারাদিন ঘামের দুর্গন্ধ নিয়ন্ত্রণে রেখে একটি ফ্রেশ ও সুগন্ধি অনুভূতি দেয়। এই ৮০ মিলির প্যাকটি নিয়মিত ব্যবহারের জন্য একদম পারফেক্ট সাইজ।
ব্যবহারের নিয়ম: প্রতিদিন গোসলের পর অথবা রাতে ঘুমানোর আগে আন্ডারআর্মের ত্বক ভালো করে পরিষ্কার করে শুকিয়ে নিন। এরপর সামান্য পরিমাণ ক্রিম নিয়ে পুরো আন্ডারআর্মে আলতো সার্কুলার মোশনে ম্যাসাজ করে লাগিয়ে নিন যতক্ষণ না ক্রিমটি পুরোপুরি ত্বকের সাথে মিশে যায়। ভালো ফলাফলের জন্য দিনে ২ বার নিয়মিত ব্যবহার করুন।
প্রশ্ন ১: এই ক্রিমটি ব্যবহার করলে কতদিনের মধ্যে বগলের কালো দাগ দূর হবে?
...উত্তর: ভালো ফলাফলের জন্য ক্রিমটি নিয়মিত দিনে দুবার ব্যবহার করা প্রয়োজন। সাধারণত ত্বকের ধরণ অনুযায়ী ২ থেকে ৪ সপ্তাহের মধ্যে আন্ডারআর্মের কালচে ভাব স্পষ্ট হালকা হতে শুরু করে।
প্রশ্ন ২: এটি কি আন্ডারআর্ম ছাড়া শরীরের অন্য কোনো কালো অংশে ব্যবহার করা যাবে?
...উত্তর: হ্যাঁ, এর ন্যাচারাল ও মৃদু উপাদানের কারণে এটি আপনি আন্ডারআর্মের পাশাপাশি কনুই, হাঁটু, ঘাড় বা বিকিনি লাইনের মতো শরীরের যেকোনো সংবেদনশীল ও কালচে অংশে অনায়াসে ব্যবহার করতে পারবেন।
প্রশ্ন ৩: এটি ব্যবহার করলে কি কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বা জ্বালাপোড়া হতে পারে?
...উত্তর: একদমই না। এটি দই ও দুধের এক্সট্র্যাক্ট দিয়ে তৈরি অত্যন্ত জেন্টল একটি ক্রিম, যা ত্বকে কোনো ইরিটেশন বা জ্বালাপোড়া তৈরি করে না। তবে খুব বেশি সেনসিটিভ স্কিন হলে ব্যবহারের আগে প্যাচ টেস্ট করে নেওয়া ভালো।