Loading page...

Lady Speed Stick Invisible Dry Power Deodorant নারীদের প্রতিদিনের কর্মব্যস্ত জীবন, গরম বা অতিরিক্ত পরিশ্রমজনিত আন্ডারআর্মের আর্দ্রতা ও দুর্গন্ধ থেকে ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত সর্বোচ্চ সুরক্ষা দিতে বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছে। এই ডিওডোরেন্ট স্টিকটির বিশেষ কার্যকারিতা হলো এটি ব্যবহারের পর আন্ডারআর্মে কোনো আঠালো ভাব তৈরি করে না এবং কালো বা রঙিন কাপড়ে কোনো কৃত্রিম সাদা দাগ ফেলে না। এতে থাকা বুনো ফ্রিশিয়া (Wild Freesia) ফুলের চমৎকার ও মৃদু সুগন্ধি আপনাকে দেয় এক অপূর্ব সতেজ অনুভূতি, যা সারাদিন আপনার চারপাশকে সুবাসিত রাখে। ৬৫ গ্রামের এই কমপ্যাক্ট এবং ট্রাভেল-ফ্রেন্ডলি স্টিকটি সংবেদনশীল ত্বকের জন্যও অত্যন্ত চমৎকার ও নিরাপদ। এটি প্রতিদিনের ব্যবহারে আন্ডারআর্মের ত্বককে রাখে শুষ্ক, নরম ও দুর্গন্ধমুক্ত।
ব্যবহারের নিয়ম: প্রতিদিন গোসলের পর আন্ডারআর্ম বা বগল ভালোভাবে মুছে শুকিয়ে নিন। এরপর ডিওডোরেন্ট স্টিকের নিচের অংশ ঘুরিয়ে সামান্য ওপরে তুলে আন্ডারআর্মে ২-৩ বার আলতোভাবে সোয়াইপ করুন। পোশাক পরার আগে এটি ত্বকে শুকানোর জন্য কয়েক সেকেন্ড সময় দিন।
আপনার প্রিয় ডিওডোরেন্ট স্টিকটি ব্যবহারের আগে, গোসলের সময় শরীরকে গভীরভাবে পরিষ্কার এবং মিষ্টি স্ট্রবেরির সুবাসে ভরিয়ে তুলতে আমাদের Skino Strawberry Scented Shower Gel 220ml ব্যবহার করার পরামর্শ দিচ্ছি। এই শাওয়ার জেল দিয়ে স্নান করার পর লেডি স্পিড স্টিক ডিওডোরেন্টটি ব্যবহার করলে শরীরের রিফ্রেশিং ভাইব ও চমৎকার সুবাস দ্বিগুণ সময় ধরে বজায় থাকে।
প্রশ্ন ১: এটি কি কাপড়ে কোনো প্রকার সাদা বা হলুদ দাগ (White Marks) তৈরি করে?
...উত্তর: একদমই না। এটি একটি ইনভিজিবল ড্রাই (Invisible Dry) ডিওডোরেন্ট, যা বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে ব্যবহারের পর কালো বা অন্য যেকোনো রঙের পোশাকে কোনো প্রকার সাদা বা আঠালো দাগ না পড়ে।
প্রশ্ন ২: এর সুগন্ধি কি খুব কড়া বা উগ্র?
...উত্তর: না, এর ওয়াইল্ড ফ্রিশিয়া সুবাস অত্যন্ত মার্জিত, মিষ্টি এবং ফ্লোরাল, যা কোনো প্রকার উগ্রতা ছাড়াই মনকে প্রফুল্ল রাখে এবং নারীদের ব্যবহারের জন্য একদম পারফেক্ট।
প্রশ্ন ৩: এটি কি সংবেদনশীল (Sensitive) ত্বকে ব্যবহার করা যাবে?
...উত্তর: হ্যাঁ, লেডি স্পিড স্টিক ডিоডোরেন্ট অত্যন্ত মৃদু উপাদানে তৈরি যা সাধারণত সব ধরনের ত্বকের জন্য নিরাপদ। তবে আন্ডারআর্মে কোনো কাটাছেঁড়া বা সদ্য ওয়াক্সিং/শেভিং করা থাকলে এটি সরাসরি ব্যবহার না করাই শ্রেয়।