Loading page...

Kim Whitening Ginseng & Pearl Cream বিশেষ ফর্মুলায় তৈরি যা ত্বকের জেদি কালচে ভাব ও হাইপারপিগমেন্টেশন দূর করতে জাদুকরী ভূমিকা পালন করে। এর প্রধান উপাদান জিনসেং বা কোরিয়ান শিং মূল, যা ত্বকের কোষ পুনর্গঠনে সাহায্য করে এবং অ্যান্টি-এজিং বা বলিরেখা দূর করার কাজ করে। এর সাথে থাকা মুক্তার গুঁড়ো (Pearl Extract) ত্বককে ভেতর থেকে হোয়াইটেনিং ও একটি হেলদি গ্লো এনে দেয়। এই নাইট ক্রিমটি মেছতা (Melasma), ব্রণের দাগ, রোদে পোড়া কালো ছোপ এবং চোখের নিচের ডার্ক সার্কেল দ্রুত হালকা করে স্কিন টোনকে সমান করে। নিয়মিত ব্যবহারে এটি আপনার ত্বককে করবে আরও টানটান, মসৃণ এবং লাবণ্যময়।
ব্যবহারের নিয়ম: প্রতি রাতে ঘুমানোর আগে একটি জেন্টল ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ভালো করে ধুয়ে পরিষ্কার ও শুকিয়ে নিন। এরপর সামান্য পরিমাণ ক্রিম আঙুলে নিয়ে পুরো মুখে এবং বিশেষ করে দাগযুক্ত স্থানে হালকা করে ডট ডট দিয়ে মেখে দিন। খুব বেশি ঘষবেন না। সকালে উঠে পুনরায় ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
প্রশ্ন ১: এই ক্রিমটি কি মেছতার পুরনো দাগ দূর করতে পারবে?
...উত্তর: হ্যাঁ, কিম জিনসেং অ্যান্ড পার্ল ক্রিমটি মেছতা, পিগমেন্টেশন এবং রোদে পোড়া জেদি দাগ দূর করার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। ভালো ফলাফলের জন্য এটি নিয়মিত ব্যবহার করা জরুরি।
প্রশ্ন ২: এটি কি দিনে ব্যবহার করা যাবে?
...উত্তর: না, এটি মূলত একটি নাইট ক্রিম হিসেবে তৈরি করা হয়েছে, তাই এটি শুধু রাতেই ব্যবহার করা উচিত। দিনের বেলা বাইরে বের হওয়ার সময় অবশ্যই একটি ভালো সানস্ক্রিন ব্যবহার করবেন।
প্রশ্ন ৩: ক্রিমটি ব্যবহারের কতদিনের মধ্যে রেজাল্ট বোঝা যায়?
...উত্তর: সাধারণত নিয়মিত ব্যবহারের ২ থেকে ৩ সপ্তাহের মধ্যে ত্বকের কালচে দাগ হালকা হতে শুরু করে এবং মুখের উজ্জ্বলতা দৃশ্যমান হয়। তবে ত্বকের ধরন অনুযায়ী রেজাল্ট পেতে কিছুটা কম-বেশি সময় লাগতে পারে।